Blog – Tour & Travel

  1. Peacock Island / Umananda Temple 2. Sukreswar Temple 3. Kaziranga National Park 4. Maa Kamakhya 5. Bhubaneswari Temple 6. Vashishtha Ashram 7. Kankaleswari 8. Kamalakanta Kalibari , Bardhaman 9. 9. Bardhamaneswar 10. 108 Shiva Temple , Bardhaman 11. Radhaballav Temple, Bardhaman

Click here for Motivational Blog on Bengali

Click Here to Watch Other Video


Click Here to Visit My Website

Very calm and peaceful place. The temple is very big and there are many Gods and Goddess idol like Radha-Ballav, Maa Annapurna, lord Shiva, Jagannath, Maa Durga, Maa Kali etc. Very old temple in Bardhhaman. The Temple area is very clean and clear. Ramayan gaan in Bengali is being performed there. Many pujas in many occasions are held there with great pomp and pleasure.  “Homa- Yagya” is done there sometimes in a big manner. The Ambience is great. A divine place for devotees. Hare Krishna hare Krishna, Krishna Krishna Hare Hare, Hare Rama Hare Rama, Rama Rama Hare Hare. Evening time is the best time to visit here. All traditional festivals are celebrated here ritualise. One can find inner peace of mind here.

Maharaja Tejchand Bahadur built the temples of Sri Sri Shyamsundarjiu, RadhaBollavijiu and Annapurnaziu, near the Raj School at Kamle Kamini Road, from Netaji Sarni at Nutanganj area of Bardhhaman in the 12th century. The architecture and beauty of both the temples are incomparable. Radha and Krishna idols of white stone were worshiped at Radha Ballavjiu Temple. Maharaja Tej Bahadur built a bridge over the river Banaka to facilitate the devotees to come here. Festivals are held here all year round in various times. Both the temples are currently renovated by using marble and glaze tallies.

In the traditional Hindu religion, there are thirteen rituals in twelve months. Significantly, the advent of Sri Krishna was in a very gloomy, contemptuous time. At that time, oppressive rulers made human life difficult. Then Lord Vishnu was born on human welfare called Srikrishna.

How to get there – Burdwan is about 100  km from Howrah. Local, mail, express trains are always coming.  Local, mail, express trains are also coming to Bardhaman from Asansol, Durgapur, Rampurhat, Suri, etc.  Buses from Kolkata, Krishnanagar, Navadwip, Purulia, Bankura, Barakar, Asansol, Durgapur, Sainthia, Rampurhat, Arambagh, Katoa, Kalna, etc. are also coming to Bardhaman Bus Stand. By town service bus one may come to Uttarphatak or Rajbari and by walking from here one may come to Radhaballav Temple .It is near half a kilometer walking distance from Rajbari or Uttarphatak. One can come here by Toto Rickshaw from the station or bus stand. When arriving from Kolkata or Asansol by the train then one can be reached here by the help of any of the above mentioned vehicles from the station.

শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দরজীউ, রাধা বল্লভজীউ এবং অন্নপূর্ণাজীউ এর   মন্দির , বর্ধমান 

মহারাজ তেজচাঁদ বাহাদুর ১৭৪২ শকাব্দ তে বর্ধমানে বর্তমানে নূতনগঞ্জ এলাকার  নেতাজি সরনী থেকে কমলে কামিনী রোডে রাজ্ ইস্কুলের নিকট  শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দরজীউ ,রাধা বল্লভজীউ এবং অন্নপূর্ণাজীউ এর   মন্দির তৈরী করান। মন্দির দুটির স্থাপত্যশৈলী  ও সৌন্দর্য্য অনুপম। রাধা বল্লভজীউ মন্দিরে শ্বেত পাথরের রাধা এবং কৃষ্ণ মূর্তি পূজিত হন।ঝুলন, রাস ,দোল প্রভৃতি উৎসব পালন করা হয়।মহারাজ তেজ বাহাদুর বাঁকার অপর তীরবর্তী ভক্তদের এখানে আসার সুবিধার জন্য বাঁকা নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণ  করান। বিভিন্ন পার্বোপলক্ষে এখানে সারা বছর উৎসব পালন করা হয়। বর্তমানে উভয় মন্দিরই সংস্কার সাধনের দ্বারা নয়নাভিরাম করা হয়েছে।

খুব শান্ত ও শান্তিপূর্ণ জায়গা। মন্দিরটি খুব বড় এবং বর্ধমানের অনেক পুরাতন মন্দির যেমন রাধা-বল্লভ, মা অন্নপূর্ণা, প্রভু শিব, জগন্নাথ, মা দুর্গা, মা কালী ইত্যাদি অনেক দেবদেবী এবং দেবী প্রতিমা রয়েছে। মন্দিরের অঞ্চলটি অত্যন্ত পরিষ্কার এবং নয়নাভিরাম । এখানে বাংলা ভাষায় রামায়ণ গানের অনুষ্ঠান হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নানারকম পূজা সেখানে প্রচণ্ড আড়ম্বর এবং আনন্দের সাথে অনুষ্ঠিত হয়। “হোম-যজ্ঞ” সেখানে কখনও কখনও বড় আকারেও করা হয়। পরিবেশটি দুর্দান্ত। ভক্তদের জন্য একটি ঐশ্বরিক স্থান। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে। সন্ধ্যার সময়টি এখানে দেখার উপযুক্ত সময়। সমস্ত ঐতিহ্যবাহী উত্সব এখানে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। কেউ কেউ এখানে মনের অভ্যন্তরীণ শান্তি খুঁজে পেতে পারেন।

সনাতন ধর্মে বার মাসে তেরো পার্বণ ।এই বহুবিধ ধর্মানুষ্ঠানের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি তথা জন্মাষ্ঠমী অন্যতম। লক্ষণীয় , শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাবকালটি ছিল খুবই  গ্লানিযুক্ত , ধর্মের জন্য অবমাননাকর । তখন অত্যাচারী নৃপতিরা মানব জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলে ছিলো। তখন ভগবান বিষ্ণু শ্রীকৃষ্ণ নামে মানবকল্যাণে জন্ম নিয়েছিলেন।

কিভাবে যাবেন — — বর্ধমান হাওড়া থেকে প্রায় ১০০ কিমি । লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস ট্রেন  আসছে সর্বদা। আসানসোল ,দুর্গাপুর,রামপুরহাট,সিউড়ি প্রভৃতি থেকেও লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস  ট্রেন আসছে বর্ধমানে। এছাড়াও কলকাতা,কৃষ্ণনগর,নবদ্বীপ,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বরাকার ,আসানসোল,দুর্গাপুর,সাঁইথিয়া ,রামপুরহাট,আরামবাগ,কাটোয়া,কালনা প্রভৃতি স্থান থেকে বাস এসে দাড়াচ্ছে বর্ধমানের দুটি বাস স্ট্যান্ডে | টাউন সার্ভিস বাসে রাজবাড়ী বা উত্তরফটকে নেমে হাঁটা পথে আধ কিলোমিটার। স্টেশন বা বাস স্ট্যান্ড  থেকে টোটো রিক্সায় এখানে আসা যায়। কলকাতা বা আসানসোল থেকে এলে ,ট্রেনে এসে স্টেশন থেকে উপরিউক্ত যেকোনো যানবাহনে এখানে আসা যেতে পারে।



108 Shiva Temple / Nawabhat / Bardhhaman / ১০৮ শিব মন্দির / নবাবহাট / বর্ধমান Pradip Kumar Ray

Click Here to read the Hindi Version

September 25, 2019pkrnet

108 Shiva Temple at Bardhaman

Nawabhat is situated about four kilometres west of Burdwan near the junction of GT Road and Sewri Road. There is also now a bus stand here. There are actually 108 Shiva Temples, which are arranged in such a manner that it looks like a rectangular garland (mala). In addition to 108 Temples there is also another extra Temple on the east side which means there is now 109 temples. These temples were erected by Vishnukumari Devi, the wife of Maharaja Tilak Chand Bahadur in 1789 AD. There are rituals for daily puja. Weekly fairs are held every year on the occasion of Shivratri. Currently, this is chaired by a council.

Throughout the year, countless devotees visit the temple. This is one of the notable places of growing. It has a beautiful garden inside and there is also a ferry pond which is pleasant to the environment. There are well arrangements for safe keeping the cars and shoes and water arrangement is also fine.

Burdwan is about 100  km from Howrah. Local, mail, express trains are always coming.  Local, mail, express trains are also coming to Bardhaman from Asansol, Durgapur, Rampurhat, Suri, etc.  Buses from Kolkata, Krishnanagar, Navadwip, Purulia, Bankura, Barakar, Asansol, Durgapur, Sainthia, Rampurhat, Arambagh, Katoa, Kalna, etc. are also coming to Bardhaman Bus Stand. If you want to come here, you can come to the Toto rickshaw or man-driven rickshaw from the station. One may come by bus those which are going to Durgapur or Guskara via Sewri road .Town service buses can also come from different places of Burdwan. When arriving from Kolkata or Asansol by the train then one can be reached here by the help of any of the above mentioned vehicles from the station.

১০৮ শিব মন্দির  / নবাবহাট  / বর্ধমান 

জি টি রোড এবং সিউড়ি রোডের সংযোগস্থলে বর্ধমানের পশ্চিমে চার কিলোমিটার দূরে  নবাবহাট । এখানে এখন বাস স্ট্যান্ডও হয়েছে।এখানে প্রকৃতপক্ষে আয়াতকার মালার ন্যায় ১০৮ টি  ও একটি পূর্বদিকে বাইরে , মোট ১০৯ টি শিবমন্দির আছে। এই মন্দিরগুলি মহারাজ তিলকচাঁদ বাহাদুরের পত্নী বিষ্ণুকুমারী দেবী কর্তৃক ১৭৮৯ খৃষ্টাব্দে নির্মিত হয়। নিত্যপূজার ব্যবস্থা আছে। প্রতি বছর শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে সপ্তাহ ব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে একটি আছি পরিষদ এর ত্বত্তাবধান করে।

                                             সারা বছরই এখানে অগণিত ভক্ত মন্দির দর্শনে  আসেন। বর্ধমানের এটি একটি অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান। এর ভিতর সুন্দর বাগান আছে এবং এখানে একটি ঘাট বাঁধানো পুকুরও আছে যেটা পরিবেশটিকে মনোরম করে রেখেছে । গাড়ি ও জুতো  রাখার এবং জলের  সুবন্দোবস্ত আছে।

                                           বর্ধমান হাওড়া থেকে প্রায় ১০০ কিমি । লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস ট্রেন  আসছে সর্বদা। আসানসোল ,দুর্গাপুর,রামপুরহাট,সিউড়ি প্রভৃতি থেকেও লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস  ট্রেন আসছে বর্ধমানে। এছাড়াও কলকাতা,কৃষ্ণনগর,নবদ্বীপ,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বরাকার ,আসানসোল,দুর্গাপুর,সাঁইথিয়া ,রামপুরহাট,আরামবাগ,কাটোয়া,কালনা প্রভৃতি স্থান থেকে বাস এসে দাড়াচ্ছে বর্ধমানের দুটি বাস স্ট্যান্ডে |এখানে আস্তে গেলে স্টেশন থেকে টোটো রিকশা বা মানুষ চালিত রিকশায় আসা যায়। বাসে গেলে , দুর্গাপুর বা সিউড়ি রড দিয়ে যে কোনো বাসে নবাবহাটে   নামতে হবে। টাউন সার্ভিস বাসেও এখানে আসা যায় বর্ধমানের বিভিন্ন স্থান থেকে। কলকাতা বা আসানসোল থেকে এলে ,ট্রেনে এসে স্টেশন থেকে উপরিউক্ত যেকোনো যানবাহনে এখানে আসা যেতে পারে।

Jai Baba Bardhamaneswar / जय बाबा बर्धमानेश्वर / জয় বাবা বর্ধমানেশ্বর

Click Here to Visit Other Videos

Jai Baba Bardhamaneswar

On 8th August 1972, a huge Shivalinga statue was found at the time of digging the ground from the abandoned land in Vikhari Bagan area. Historians estimate that it was made in the Christian 7th or 8th century. It is estimated from the following script of Shivling that it was made during the Kusan period. Many people believe that Shiva Lingo was established by the Mansamgala fame Chand Sadgar. The shibling is made of turtle, weighing about 13 tons, height 6 feet, gauriputta 18 feet, circumference 16 feet.

Every year, on the fourth Monday of the month of Shravan, Devadidev is worshiped as Kalpeshwar. In the mouth of the local people, it is famous as the Mota Shiva. Many people gathered in the temple on the occasion of Shivratri. Every year, the temple complex is decorated on the occasion of Shivratri Puja. Bardamaneshwar is popularly known as Mota Shiva.

Address: Bardhamaneshwar Temple, Anjir Garden, Bardhhaman, West Bengal-713102, India. Burdwan Railway Station and Tallit Railway Station areas the nearest railway stations to Anjir’s garden in Burdwan.

How To Get There – Burdwan is about 100  km from Howrah. Local, mail, express trains are always coming.  Local, mail, express trains are also coming to Bardhaman from Asansol, Durgapur, Rampurhat, Suri, etc.  Buses from Kolkata, Krishnanagar, Navadwip, Purulia, Bankura, Barakar, Asansol, Durgapur, Sainthia, Rampurhat, Arambagh, Katoa, Kalna, etc. are also coming to Bardhaman Bus Stand. On the Town Service Bus, you have to come to Rajbati or Uttarphatak and from there you have to walk or to hire Rickshaw. You can come here by Toto from the Railway Station or Bus Stand. When arriving from Kolkata or Asansol, one may reach here by Toto Rickshaws or Town service Bus as stated.

जय बाबा बर्धमानेश्वर

8 अगस्त 1972 को, विकारी बागान क्षेत्र में परित्यक्त भूमि से जमीन खोदने के समय एक विशाल शिवलिंग प्रतिमा मिली थी। इतिहासकारों का अनुमान है कि इसे ईसाई 7 वीं या 8 वीं शताब्दी में बनाया गया था। शिवलिंग की निम्न लिपि से यह अनुमान लगाया जाता है कि यह कुषाण काल ​​के दौरान बनाया गया था। बहुत से लोग मानते हैं कि शिव लिंगो की स्थापना मंसमगला की प्रसिद्धि चंद सदर ने की थी। शिवलिंग कछुए से बना है, जिसका वजन लगभग 13 टन, ऊंचाई 6 फीट, गौरीपुत्त 18 फीट, परिधि 16 फीट है।

हर साल, श्रावण मास के चौथे सोमवार को, देवादिदेव को कल्पेश्वर के रूप में पूजा जाता है। स्थानीय लोगों के मुंह में, यह मोटा शिव के रूप में प्रसिद्ध है। शिवरात्रि के अवसर पर कई लोग मंदिर में एकत्रित हुए। हर साल शिवरात्रि पूजा के अवसर पर मंदिर परिसर को सजाया जाता है। बर्दमनेश्वर को मोटा शिव के नाम से जाना जाता है।

पता: बर्धमानेश्वर मंदिर, अंजिर गार्डन, बर्धमान, पश्चिम बंगाल -713102, भारत। बर्दवान रेलवे स्टेशन और टालिट रेलवे स्टेशन बर्दवान में अंजिर के बगीचे के लिए निकटतम रेलवे स्टेशन हैं। बर्दवान हावड़ा से लगभग 100 किमी दूर है। लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें हमेशा आती रहती हैं। आसनसोल, दुर्गापुर, रामपुरहाट, सूरी, आदि से भी लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें आती रहती हैं| कोलकाता, कृष्णानगर, नवद्वीप, पुरुलिया, बांकुरा, बाराकर, आसनसोल, दुर्गापुर, सैंथिया, रामपुरहाट, आरामबाग, कटया , कलना से बसें भी  आ रही हैं बर्दमान के बस स्टैंड पर। कोई यहाँ रिक्शा, टोटो या टाउन सर्विस बस से बर्दवान रेलवे स्टेशन या बस स्टॉप से ​​आ सकता है, जो उदय पल्ली तक जा रहे हैं।

জয় বাবা বর্ধমানেশ্বর

১৯৭২ সালে ১০ই আগস্ট আলমগঞ্জ মৌজায় ভিখারিবাগান অঞ্চলে পরিত্যক্ত জমি থেকে একটি বিশাল শিবলিঙ্গ মূর্তি মাটি খুঁড়তে গিয়ে পাওয়া যায়। ইতিহাসবিদগণের অনুমান এটি খ্রিস্টীয় ৭ম অথবা ৮ম শতকের। শিবলিঙ্গের নিচের লিপি থেকে অনুমান করা যায় এটি কুষাণ যুগে তৈরী হয়েছিলো। অনেকে মনে করেন  শিব লিঙ্গটি  মনসামঙ্গল খ্যাত  চাঁদ সদাগর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।শিবলিঙ্গটি কষ্টি পাথরের দ্বারা নির্মিত ,যার   ওজন প্রায় ১৩ টন, উচ্চতা ৬ ফুট, গৌরীপট্ট ১৮ ফুট, পরিধি ১৬ ফুট। প্রতি বছর  শ্রাবণ মাসের চতুর্থ সোমবার দেবাদিদেব কল্পেশ্বর হিসাবে পূজিত হন অর্থাৎ ঐদিন  তাঁকে ভক্তিভরে পূজা করলে ভক্তজন এক কল্পকাল শিব লোকে থাকার সুযোগ প্রাপ্ত হন। স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ইনি মোটা শিব হিসাবেই বিখ্যাত। জয় বাবা বর্ধমানেশ্বর। শিবরাত্রি উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে ভক্তিস্রোতে ভেসে যাবেন মহাদেব। সাজিয়ে তোলা হয শিব মন্দির। প্রতি বছর  আলমগঞ্জে শ্রী শ্রী বর্ধমানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবরাত্রির পুজো উপলক্ষ্যে  সাজিয়ে তোলা হয় মন্দির চত্বর। মোটা শিব নামে খ্যাত বর্ধমানেশ্বর  শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে বর্ধমানেশ্বর শিব মন্দিরের আশপাশে জুড়ে বসে মেলা।

ঠিকানা: বর্ধমানশ্বর মন্দির, অঞ্জির বাগান, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ -৭১৩১০২, ভারত | বর্ধমান জংশন রেলওয়ে স্টেশন, তালিত রেলওয়ে স্টেশনটি বর্ধমানের অঞ্জির বাগানের খুব কাছের রেল স্টেশন।

কিভাবে যাবেন — বর্ধমান হাওড়া থেকে প্রায় ১০০ কিমি । লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস ট্রেন  আসছে সর্বদা। আসানসোল ,দুর্গাপুর,রামপুরহাট,সিউড়ি প্রভৃতি থেকেও লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস  ট্রেন আসছে বর্ধমানে। এছাড়াও কলকাতা,কৃষ্ণনগর,নবদ্বীপ,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বরাকার ,আসানসোল,দুর্গাপুর,সাঁইথিয়া ,রামপুরহাট,আরামবাগ,কাটোয়া,কালনা প্রভৃতি স্থান থেকে বাস এসে দাড়াচ্ছে বর্ধমানের দুটি বাস স্ট্যান্ডে ।টাউন সার্ভিস বাসে রাজবাড়ী বা উত্তরফটকে নেমে হাঁটা পথে অথবা টোটো রিকশায় যেতে হবে। স্টেশন বা বাস স্ট্যান্ড  থেকে টোটো রিক্সায় এখানে আসা যায়। কলকাতা বা আসানসোলথেকে এলে ,ট্রেনে এসে স্টেশন থেকে উপরিউক্ত যেকোনো যানবাহনে এখানে আসা যেতে পারে।

Kamalakanta Kalibari, Bardhaman / कमलाकांत कालीबाड़ी / কমলাকান্ত কালীবাড়ি

Pradip Kumar Ray / प्रदीप कुमार राय / প্রদীপ কুমার রায়

Kamalakanta Kalibari , Bardhaman

Kamalakanta Bhattacharya Poet and Sadhaka Kamalakanta was a Bengali Shakta poet and yogi of India of the late 18th century. He is often considered to have followed the example of Ramprasad, both in his poetry and in his lifestyle. Born: 1769, India Died: 1821 Early life Kamalakanta was born in Bardhaman, India. His father was a Brahmin priest who died when Kamalakanta was still a boy. His mother struggled financially to provide for the family with the meagre income from the small amount of land left to them, but she managed to send Kamalakanta to higher education. Kamalakanta was a bright student, studying Sanskrit and showing an early talent for poetry and music. It is said that “his heart opened to the love of God” when he received the sacred thread and was initiated into spiritual practice by Chandra Shekhar Goswami. From an early age he expressed an interest in spirituality and later in life Kamalakanta received initiation into Tantric Yoga from a Tantric yogi named Kenaram Bhattacharya. Career In order to support his family, Kamalakanta started a small school in addition to his work as a Brahmin priest. But Kamalakanta struggled to make ends meet. His songs made him famous during his lifetime. Because of his fame as a singer poet, the Maharaja of Bardhaman, Tej Chandra, asked Kamalakanta to be his Guru and appointed him as a court advisor. Throughout his life Kamalakanta was a great devotee of Kali and composed many impassioned and devotional love poems to the Mother. It is said that the Divine Mother in her aspect of Mahakali wishes her sincere devotees to make the fastest progress. Kali is often depicted as the great destroyer of ignorance and hostile forces. The poetry of Kamalakanta displays this heroic attitude, imploring Kali to destroy limitations and bondage. The poetry of Kamalakanta also displays a profound faith in his all-powerful Kali. Dakshina Kali Dhyan Mantra This is also known as karpuradi stotram. “Om karala-badanam ghoram mukta-keshim chatur-bhuryam. kalikam dakshinam dibyam munda-mala bibhushitam sadya-chinna shira kharga bama-dordha karambujam abhayam baradan-chaiba dakshina-dardha panikam” Meaning: “Om Fierce of face, she is dark, with flowing hair and four-armed.Dakshina Kalika divine, adorned with a garland of heads. In Her lotus hands on the left, a severed head and a sword She bestows sanctuary and blessings with her right hands.” Benefit : Chanting this mantra denotes the dissolving of attachments, anger, lust, and other binding emotions, feelings and ideas.

Burdwan is about 100  km from Howrah. Local, mail, express trains are always coming.  Local, mail, express trains are also coming to Bardhaman from Asansol, Durgapur, Rampurhat, Suri, etc.  Buses from Kolkata, Krishnanagar, Navadwip, Purulia, Bankura, Barakar, Asansol, Durgapur, Sainthia, Rampurhat, Arambagh, Katoa, Kalna, etc. are also coming to Bardhaman Bus Stand. One may come here from the Burdwan Railway Station or Bus Stop by Rickshaw, Toto or by Town Service bus which are going to Uday Palli. If one come by town service bus, one have to be departed at Kamalakanta Kalibari Stoppage.

कमलाकांत कालीबाड़ी , प्रदीप कुमार राय

कमलाकांत भट्टाचार्य कवि और साधिका कमलाकांत 18 वीं शताब्दी के अंत के भारत के एक बंगाली शाक्त कवि और योगी थे। उन्हें अक्सर रामप्रसाद के उदाहरण के बाद उनकी कविता और जीवन शैली दोनों में माना जाता है। जन्म: 1769, भारत निधन: 1821 प्रारंभिक जीवन कमलाकांत का जन्म बर्धमान, भारत में हुआ था। उनके पिता एक ब्राह्मण पुजारी थे जिनकी मृत्यु तब हुई जब कमलकांत अभी भी एक लड़का था। उनकी माँ ने परिवार के लिए आर्थिक सहायता के लिए संघर्ष किया, ताकि उनके पास बची छोटी-सी ज़मीन में से अल्प आय हो, लेकिन वह कमलाकांत को उच्च शिक्षा में भेजने में सफल रहीं। कमलाकांत एक उज्ज्वल छात्र थे, संस्कृत का अध्ययन करते थे और कविता और संगीत के लिए एक प्रारंभिक प्रतिभा दिखाते थे। ऐसा कहा जाता है कि “उनका हृदय भगवान के प्रेम में खुल गया” जब उन्हें पवित्र धागा प्राप्त हुआ और उन्हें चंद्र शेखर गोस्वामी द्वारा आध्यात्मिक अभ्यास में शुरू किया गया था। कम उम्र से ही उन्होंने आध्यात्मिकता में रुचि व्यक्त की और बाद में जीवन में कमलाकांत ने केनाराम भट्टाचार्य नामक एक तांत्रिक योगी से तांत्रिक योग में दीक्षा प्राप्त की। कैरियर अपने परिवार का समर्थन करने के लिए, कमलाकांत ने ब्राह्मण पुजारी के रूप में अपने काम के अलावा एक छोटा स्कूल शुरू किया। लेकिन कमलाकांत ने अंत करने के लिए संघर्ष किया। उनके गीतों ने उन्हें अपने जीवनकाल के दौरान प्रसिद्ध किया। एक गायक कवि के रूप में उनकी प्रसिद्धि के कारण, बर्धमान के महाराजा, तेज चंद्र, ने कमलाकांत को अपना गुरु बनाने के लिए कहा और उन्हें अदालत के सलाहकार के रूप में नियुक्त किया। अपने पूरे जीवन में कमलाकांत काली के बहुत बड़े भक्त थे और उन्होंने माता को कई भाव-विह्वल और भक्ति-प्रिय कविताओं की रचना की। ऐसा कहा जाता है कि महाकाली के पहलू में दिव्य माँ अपने भक्तों को सबसे तेज प्रगति की कामना करती हैं। काली को अक्सर अज्ञानता और शत्रुतापूर्ण ताकतों के महान विध्वंसक के रूप में दर्शाया जाता है। कमलकांत की कविता इस वीरतापूर्ण रवैये को प्रदर्शित करती है, जो काली को सीमाओं और बंधन को नष्ट करने के लिए प्रेरित करती है। कमलाकांत की कविता भी उनकी सर्व-शक्तिशाली काली में गहरा विश्वास प्रदर्शित करती है। दक्षिणा काली ध्यान मंत्र इसे कर्पूरी स्तोत्रम के नाम से भी जाना जाता है। “ओम करला-बदनम घोरम मुक्ता-केशिम चतुर-भूरम। कलिकम दक्षिणाम दिब्यम मुंडा-माला विभुषितम साध्या-चिन्ना शिर खरागा बामा-दरोगा करम्बुजम अभयम बरदान-चइबा दक्षिणा-दर्धा पनिकाम ”अर्थ:“ ओम फीयर ऑफ फेस, विथ हेयर, हेयरफुलिंग हेयर और फोर हेयरिंग। सिर की एक माला के साथ। बाईं ओर उसके कमल हाथों में, एक सिर और एक तलवार, वह अभयारण्य और उसके दाहिने हाथों से आशीर्वाद प्राप्त करती है। ”लाभ: इस मंत्र का जप करने से आसक्ति, क्रोध, वासना और अन्य बाध्यकारी भावनाओं, भावनाओं और विचारों के भंग होने का संकेत मिलता है।

बर्दवान हावड़ा से लगभग 100 किमी दूर है। लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें हमेशा आती रहती हैं। आसनसोल, दुर्गापुर, रामपुरहाट, सूरी, आदि से भी लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें आती रहती हैं| कोलकाता, कृष्णानगर, नवद्वीप, पुरुलिया, बांकुरा, बाराकर, आसनसोल, दुर्गापुर, सैंथिया, रामपुरहाट, आरामबाग, कटया , कलना से बसें भी  आ रही हैं बर्दमान के बस स्टैंड पर। कोई यहाँ रिक्शा, टोटो या टाउन सर्विस बस से बर्दवान रेलवे स्टेशन या बस स्टॉप से ​​आ सकता है, जो उदय पल्ली तक जा रहे हैं। यदि कोई टाउन सर्विस बस से आता है, तो उसे कमलाकांत कालीबाड़ी स्टॉपेज पर प्रस्थान करना होगा।

কমলাকান্ত কালীবাড়ি , প্রদীপ কুমার রায়

কমলাকান্ত ভট্টাচার্য কবি ও সাধক কমলাকান্ত ছিলেন একবিংশ শতাব্দীর শেষভাগের এক বাঙালি শাক্ত কবি এবং যোগী। তিনি প্রায়শই তাঁর কবিতায় এবং তাঁর জীবনযাত্রায় রামপ্রসাদের উদাহরণ অনুসরণ করেছিলেন বলে মনে করা হয়। জন্ম: 1769, ভারতবর্ষে মৃত্যু: 1821 প্রাথমিক জীবন কমলাকান্ত ভারতের বার্ধামনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতা একজন ব্রাহ্মণ পুরোহিত ছিলেন, যিনি কমলাকান্ত তখনও বালক ছিলেন। তাঁর মা সামান্য পরিমাণ জমি থেকে স্বল্প পরিমাণের জমি থেকে স্বল্প আয়ের সাথে সংসারের জন্য আর্থিকভাবে লড়াই করেছিলেন, তবে তিনি কমলাকান্তকে উচ্চ শিক্ষায় প্রেরণ করতে পেরেছিলেন। কমলাকান্ত একজন উজ্জ্বল ছাত্র ছিলেন, সংস্কৃত পড়তেন এবং কবিতা ও সংগীতের প্রথম দিকের প্রতিভা দেখাতেন। বলা হয় যে “তাঁর অন্তর Godশ্বরের প্রেমে উদ্বিগ্ন হয়েছিল” যখন তিনি পবিত্র সুতোটি পেয়েছিলেন এবং চন্দ্র শেখর গোস্বামী আধ্যাত্মিক অনুশীলন শুরু করেছিলেন। প্রথম থেকেই তিনি আধ্যাত্মিকতার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন এবং পরবর্তী জীবনে কমলাকান্ত তান্ত্রিক যোগে কেনারাম ভট্টাচার্য নামে এক তান্ত্রিক যোগীর কাছ থেকে দীক্ষা লাভ করেছিলেন। কর্মজীবন তার পরিবারকে সমর্থন করার জন্য, কমলাকান্ত ব্রাহ্মণ পুরোহিত হিসাবে তাঁর কাজ ছাড়াও একটি ছোট স্কুল শুরু করেছিলেন। তবে কমলাকান্ত শেষের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য লড়াই করেছিলেন। তাঁর গানগুলি তাঁর জীবদ্দশায় বিখ্যাত করেছে। গায়ক কবি হিসাবে তাঁর খ্যাতির কারণে, বর্ধমানের মহারাজা তেজচন্দ্র কমলাকান্তকে তাঁর গুরু হতে বলেছিলেন এবং তাঁকে আদালতের উপদেষ্টা হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন। কমলাকান্ত তাঁর সারা জীবন কালের এক মহান ভক্ত ছিলেন এবং মায়ের কাছে বহু অনুভূতি ও ভক্তি প্রেমের কবিতা রচনা করেছিলেন। বলা হয় যে Mahaশী মা তাঁর মহাকালীর দিক থেকে তাঁর আন্তরিক ভক্তদের দ্রুততম অগ্রগতি কামনা করছেন। কালী প্রায়শই অজ্ঞতা এবং বৈরী শক্তির মহান ধ্বংসকারী হিসাবে চিত্রিত হয়। কমলাকান্তের কবিতা এই বীরত্বপূর্ণ মনোভাব প্রদর্শন করে, কালীকে সীমাবদ্ধতা এবং বন্ধন বিনষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেছিল। কমলাকান্তের কবিতাও তাঁর সর্বশক্তিমান কালের প্রতি গভীর বিশ্বাস প্রদর্শন করে। দক্ষিণ কালী ধ্যান মন্ত্র এটি করপুরাডি স্টোট্রাম নামেও পরিচিত। “ওম করালা-বদনাম ঘোরম মুক্ত-কেশিম চতুর-ভুর্যম। কলিকম দক্ষিণাম দিব্যমন্ড মুন্ডা-মল্লা বিভূষিতম সাধা-চিন্না শীরা খড়্গা বামা-দর্ধা করম্বুজম অভয়ম বরদান-চৈবা দক্ষিণ-দর্ধা পানীকম “অর্থ:” ওম মুখ, তিনি অন্ধকার, প্রবাহিত চুল এবং চার-সজ্জিত। দক্ষিণকণিকা কালিকা দিব্য, মাথার মালা দিয়ে। বাম দিকে তাঁর পদ্ম হাতে, একটি বিচ্ছিন্ন মাথা এবং একটি তরোয়াল তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে অভয়ারণ্য এবং আশীর্বাদ দান করেছেন ”” সুবিধা: এই মন্ত্রটির জপ সংযোজন, ক্রোধ, কামনা এবং অন্যান্য আবদ্ধ অনুভূতি, অনুভূতি এবং ধারণার দ্রবীভূত হওয়া বোঝায়।

বর্ধমান হাওড়া থেকে প্রায় ১০০ কিমি । লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস ট্রেন  আসছে সর্বদা। আসানসোল ,দুর্গাপুর,রামপুরহাট,সিউড়ি প্রভৃতি থেকেও লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস  ট্রেন আসছে বর্ধমানে। এছাড়াও কলকাতা,কৃষ্ণনগর,নবদ্বীপ,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বরাকার ,আসানসোল,দুর্গাপুর,সাঁইথিয়া ,রামপুরহাট,আরামবাগ,কাটোয়া,কালনা প্রভৃতি স্থান থেকে বাস এসে দাড়াচ্ছে বর্ধমানের দুটি বাস স্ট্যান্ডে । বর্ধমান রেল স্টেশন বা বাস স্টপ থেকে রিক্সা , টোটো অথবা উদয় পল্লী যাবার টাউনসার্ভিস বাসে কমলাকান্ত কালীবাড়িতে নেমে যেতে হবে।

কঙ্কালেশ্বরী কালীবাড়ি , বর্ধমান / कंकालेश्वरी कालीबाड़ी, बर्धमान / Kankalesawari Kalibari,Bardhaman

September 14, 2019pkrnet

Kankaleswari Kalibari

কাঞ্চননগরে গোবিন্দদাসের জন্ম ভিটার মন্দিরের কাছেই একটি পঞ্চরত্ন বিষ্ণু মন্দিরে কঙ্কালেশ্বরী দেবীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। ১৯২৩ সালে দামোদরে ভয়াবহ বন্যার পর দামোদর গর্ভ থেকে কষ্টি পাথরে খোদাই করা অষ্টভুজা এই চামুন্ডা মূর্তিটি পাওয়া যায় , যা ভাস্কর্যের এক অদ্ভুত নিদর্শন । কালো ব্যাসাল্ট পাথরে খোদিত ৬ ফুট উঁচু আট বাহু , মানব শরীরের দৃষ্ট পেশী ,স্নায়ুতন্ত্র ,ধমনী এবং অস্থি সমন্বিত মূর্তি। মূর্তিটি অতি প্রাচীন এবং অনুমিত হয় এটি প্রাক -আর্য যক্ষিনী মূর্তি । কার্তিকী অমাবস্যায় এখানে বিশেষ পূজা হয় এবং ২/৩ দিনের একটি মেলা বসে।

বর্ধমান হাওড়া থেকে প্রায় ১০০ কিমি । লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস ট্রেন  আসছে সর্বদা। আসানসোল ,দুর্গাপুর,রামপুরহাট,সিউড়ি প্রভৃতি থেকেও লোকাল ,মেল্, এক্সপ্রেস  ট্রেন আসছে বর্ধমানে। এছাড়াও কলকাতা,কৃষ্ণনগর,নবদ্বীপ,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বরাকার ,আসানসোল,দুর্গাপুর,সাঁইথিয়া ,রামপুরহাট,আরামবাগ,কাটোয়া,কালনা প্রভৃতি স্থান থেকে বাস এসে দাড়াচ্ছে বর্ধমানের দুটি বাস স্ট্যান্ডে । বর্ধমান রেল স্টেশন বা বাস স্টপ থেকে রিক্সা , টোটো অথবা উদয় পল্লী যাবার টাউনসার্ভিস বাসে কাঞ্চননগর বারিদুয়ারীতে নেমে যেতে হবে।

कंकालेश्वरी कालीबाड़ी, बर्धमान

कंकालेश्वरी देबी का मंदिर कंचननगर, बर्धमान में कवि श्री गोबिंदा दास के जन्म स्थान के पास एक पंचरत्न विष्णु मंदिर में स्थित है। 1923 में दामोदर की विनाशकारी बाढ़ के बाद दामोदर के गर्भ गृह के पत्थर पर उकेरी गई अष्टभुजा की चामुंडा प्रतिमा। मूर्तिकला के अजीब संकेत। मूर्ति काले बेसाल्ट द्वारा बनाई गई है और मूर्ति की ऊंचाई 6 फुट है। मानव शरीर की दृश्यमान मांसपेशी, तंत्रिका तंत्र, धमनी और हड्डी के साथ इसकी आठ भुजाएँ हैं। प्रतिमा बहुत प्राचीन है और माना जाता है कि यह पूर्व-आर्य यक्षिन प्रतिमा है। कार्तिकी अमावस्या को यहां विशेष पूजा की जाती है और कार्तिकी अमावस्या के संबंध में 2 या 3 दिनों के लिए एक मेले का आयोजन किया जाता है।

बर्दवान हावड़ा से लगभग 100 किमी दूर है। लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें हमेशा आती रहती हैं। आसनसोल, दुर्गापुर, रामपुरहाट, सूरी, आदि से भी लोकल, मेल, एक्सप्रेस ट्रेनें आती रहती हैं| कोलकाता, कृष्णानगर, नवद्वीप, पुरुलिया, बांकुरा, बाराकर, आसनसोल, दुर्गापुर, सैंथिया, रामपुरहाट, आरामबाग, कटया , कलना से बसें भी  आ रही हैं बर्दमान के बस स्टैंड पर। कोई यहाँ रिक्शा, टोटो या टाउन सर्विस बस से बर्दवान रेलवे स्टेशन या बस स्टॉप से ​​आ सकता है, जो उदय पल्ली तक जा रहे हैं। यदि कोई टाउन सर्विस बस से आता है, तो उसे कंचननगर बड़ौदा स्टॉपेज पर प्रस्थान करना होगा।

Kankalesawari Kalibari,Bardhaman

The shrine of Kankaleswari Debi is situated in a Panchratna Vishnu Temple near the birth place of Poet Shri Gobinda Das at Kanchannagar, Bardhaman.The Chamunda statue of Ashtavuja, engraved on the stone of Damodar’s womb after the devastating flood of Damodar in 1923, is a strange sign of sculpture. The idol is made by black basalt and the height of the idol is a 6-foot. It has eight arms with the human body’s visible muscle, nervous system, artery and bone. The statue is very ancient and is supposed to be a pre-Arya Yakshin statue. Kartiki Amavasya is specially worshiped here and a fair is organised for 2 or 3 days in connection with the Kartiki Amavasya.

Burdwan is about 100  km from Howrah. Local, mail, express trains are always coming.  Local, mail, express trains are also coming to Bardhaman from Asansol, Durgapur, Rampurhat, Suri, etc.  Buses from Kolkata, Krishnanagar, Navadwip, Purulia, Bankura, Barakar, Asansol, Durgapur, Sainthia, Rampurhat, Arambagh, Katoa, Kalna, etc. are also coming to Bardhaman Bus Stand. One may come here from the Burdwan Railway Station or Bus Stop by Rickshaw, Toto or by Town Service bus which are going to Uday Palli. If one come by town service bus, one have to be departed at Kanchanagar Barodwari Stoppage.

বশিষ্ঠ আশ্রম / Vashistha Ashram / वशिष्ठ आश्रम

বশিষ্ঠ আশ্রম / Vashistha Ashram / वशिष्ठ आश्रम”

বশিষ্ঠ আশ্রম গুয়াহাটি শহরের ১২ কিমি দক্ষিণে সন্ধ্যাচল পাহাড়ে  ছবির মতো আধুনিক স্থাপত্য সম্বলিত একটি প্রাচীন আশ্রম। লোকে বলে , এখানেই নাকি মহর্ষি বশিষ্ট নামের সেই বিখ্যাত মুনি বাস করতেন। এখানে মুনির পায়ের ছাপ রয়েছে  এবং মূর্তিও তৈরী হয়েছে । সন্ধ্যা ,ললিতা আর কান্তা  নামের তিনটি পাহাড়ি নদী বয়ে চলেছে আশ্রমের সবুজ ক্ষেত্রকে অতিক্রম করে। মিলেছে এরা আশ্রমের কাছেই — মিলিত ধারাই  বশিষ্ট গঙ্গা। গঙ্গা রেখে গ্রামের পথে যেতে পাথরের হাতির মূর্তিতেও বৈচিত্র্য আছে। পেটের  গহ্বরে ছোট্ট গনেশ। আশ্রম শিরে শিবমন্দির, আর পথেই পরে গুরুদ্বার ও রাধাকৃষ্ণ মন্দির। জায়গাটির মাধুর্যের কারনে এখানে ভক্ত আর পিকনিককারী —উভয়েই ভিড় করেন। এখানে একটি বিশ্রাম ঘরও  আছে। বার্লুমুখ , কাছারি প্রাঙ্গন থেকে আর, জি বড়ুয়া রোড ধরে শহরের বাস চলেছে এখানে। বিভিন্ন গাড়িও  পাওয়া যায় এখানে আস্তে।

আবহাওয়া: 33 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, বাতাস NE at 8 কিমি / ঘন্টা, 72% আর্দ্রতা , গৌহাটির জনসংখ্যা: 9.57 লক্ষ

কলকাতা থেকে গৌহাটি রেলপথে আস্তে গেলে জেনে রাখতে হবে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়। ২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস ৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় । ৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার ) ৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫ )

वशिष्ठ आश्रम

वशिष्ठ आश्रम आधुनिक वास्तुकला के साथ एक प्राचीन मठ है और चित्र के रूप में दिखता है जो गुवाहाटी से 12 किमी दक्षिण में “संध्याचल” पहाड़ी पर स्थित है। लोग कहते हैं, यह वह जगह है जहां “महर्षि वशिष्ठ” नाम से प्रसिद्ध मुनि रहते थे। यहां मुनि के पदचिह्न हैं और प्रतिमा भी बनाई गई थी। संध्या के समय, तीन पर्वतीय नदियाँ, अर्थात् संध्या, लोलिता और कांता, मठ के हरे भरे खेतों को पार करती हैं। वे आश्रम के करीब हैं और यहां उनकी धारा मिश्रित है जिसे “वशिष्ठ गंगा” के नाम से भी जाना जाता है। गंगा को छोड़कर गाँव के रास्ते में पत्थर से बनी हाथियों की मूर्तियों में भी भिन्नता है। उदर गुहा में थोड़ा गणेश और आश्रम शायर में शिव मंदिर और उसके बाद गुरुद्वारा और राधाकृष्ण मंदिर हैं। जगह की मिठास के कारण, दोनों प्रशंसकों और पिकनिक प्रेमियों की यहाँ भीड़ लगी रहती है। एक bishramagar and  टॉयलेट भी है। यहां से सिटी बस बरलुमुख से आरजी बैरवा रोड पर गुजर रही है। यहां विभिन्न कारें भी उपलब्ध हैं।

मौसम: 33 °C, Wind NE at 8 किमी / घंटा , 72% आर्द्रता  । जनसंख्या: 9.57 लाख

कोलकाता से गुवाहाटी तक —

1) सरायघाट एक्सप्रेस (12345) हावड़ा से, अगली सुबह गुवाहाटी में सुबह 9.35 am बजे आ रही है। २) 5.35 pm बजे प्रस्थान, कामरूप एक्सप्रेस (15959) 3) सुबह 6.35 बजे, शिल्दा स्टेशन से कंचनजंगा एक्सप्रेस (15657)। ४) रात 9.40 पीएम गरीब रथ (12517) सप्ताह में दो दिन (गुरुवार और रविवार) निकलते हैं। ५) कोलकाता डिब्रूगढ़ एक्सप्रेस (122027) से प्रत्येक बुधवार रात 9.40 बजे प्रस्थान करें।

Vashistha Ashram

The Vashistha Ashram is an ancient monastery with modern architecture and look like as picture which is situated on the “Sandhyachal” hill, 12 km south of Guwahati. People say, this is where the famous muni named “Maharshi Vashistha” lived. Here is the footprint of Muni and the statue was also made. At dusk, three mountainous rivers, namely Sandhya, Lolita and Kanta, cross the green fields of the monastery. They are close to the Ashram and mixed their stream here which is also known as “Vashistha Ganga”. There are also variations in the statues of elephants made by stone on their way to the village leaving the Ganges. There is little Ganesh in the abdominal cavity and Shiva temple at Ashram Shire followed by Gurdwara and Radhakrishna temple. Due to the sweetness of the place, both the fans and the picnic lovers are crowded here. There is also a restroom. From here, the city bus is passing along the RG Barua Road from Barlumukh. Various cars are also available here.

Weather33 °C, Wind NE at 8 km/h, 72% Humidity . Population9.57 lakhs 

From Kolkata to Guwahati—

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the next morning at 9.35 am from Howrah. 2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959). 3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Shialda Station. 4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday). 5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

ভুবনেশ্বরী মন্দির

Bhubaneswari Temple

এটি নীলাচল পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এবং বেসরকারী যানবাহনের পাশাপাশি সরকারী পরিবহন, বেসরকারী ট্যাক্সি, অ্যাপ ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা যেমন উবার ও ওলা, অটোরিকশা ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।


অসমের রাজধানী গৌহাটী শহর  থেকে দশ কিলোমিটার দূরে নীলাচল পাহাড়ে সতীর একান্ন পিঠের অন্যতম পিঠ – মা কামাখ্যার মন্দির। কামাখ্যা মন্দির থেকে ১৬৫ ফুট উঁচুতে কামাখ্যা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ভুবনেশ্বরীর মন্দির। কামাখ্যা মন্দির থেকে হাঁটা পথে মিনিট পনেরো লাগে। হাঁটা পথের ধকল নিতে না পারলে , গাড়িতেই আসুন।  মন্দিরের গর্ভগৃহে গুহার মধ্যে রয়েছে লাল পাথরের দেবী মূর্তি । পাহাড় থেকে নিচে নামার সময় রাস্তার বাঁ দিকে পরবে  বগলামুখী মায়ের মন্দির। ভুবনেশ্বরীর চত্বর থেকে গুয়াহাটি শহরের দৃশ্য সুন্দরভাবে অবলোকন করা যায়।আবার ব্রহ্মপুত্রে সূর্যাস্তের দৃশ্য ও  পাহাড় থেকে মনোরম।

আবহাওয়া: 33 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, বাতাস NE at 8 কিমি / ঘন্টা, 72% আর্দ্রতা

গৌহাটির জনসংখ্যা: 9.57 লক্ষ

কলকাতা থেকে গৌহাটি রেলপথে আস্তে গেলে জেনে রাখতে হবে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়।

২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস

৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় ।

৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার )

৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫)

Bhubaneshwari Temple

Maa Kamakhya Temple is one of the Shakti Peetha which is situated on the Nilachal hill, ten km away from the city of Guwahati, the capital of Assam. Bhubaneshwari Temple situated at the top of the hill of Kamakhya at a height of 165 feet from the Kamakhya Temple. It takes about fifteen minutes to walk from the Kamakhya Temple. If you can’t get in the way of a walking path, get in the car. In the cave, there is a red stone goddess statue. On the left side of the road as you come down from the hill, you will see the temple of the mother of the Bagalamukhi. The view of the city of Guwahati from Bhubaneshwari temple is very beautiful. It is located at the top of the Nilachal Hills and can be used for private transport as well as public transport, private taxi, app based taxi services such as Uber and Ola, Auto rickshaw.

Weather: 33 °C, Wind NE at 8 km/h, 72% Humidity

Population: 9.57 lakhs 

From Kolkata to Guwahati—

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the next morning at 9.35 am from Howrah.

2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959)

3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Shialda Station.

4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday).

5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

भुवनेश्वरी मंदिर

माँ कामाख्या मंदिर शक्ति पीठ में से एक है जो असम की राजधानी गुवाहाटी शहर से दस किमी दूर नीलाचल पहाड़ी पर स्थित है। कामाख्या मंदिर से 165 फीट की ऊँचाई पर कामाख्या की पहाड़ी की चोटी पर स्थित भुवनेश्वरी मंदिर। कामाख्या मंदिर से चलने में लगभग पंद्रह मिनट लगते हैं। यदि आप पैदल मार्ग के रास्ते में नहीं जा सकते हैं, तो कार में बैठें। गुफा में एक लाल पत्थर की देवी की मूर्ति है। सड़क के बाईं ओर जैसे ही आप पहाड़ी से नीचे आते हैं, आपको बगलामुखी की माता का मंदिर दिखाई देगा। भुवनेश्वरी मंदिर से गुवाहाटी शहर का दृश्य बहुत सुंदर है। यह नीलाचल पहाड़ियों के शीर्ष पर स्थित है और इसका उपयोग निजी परिवहन के साथ-साथ सार्वजनिक परिवहन, निजी टैक्सी, ऐप आधारित टैक्सी सेवाओं जैसे उबर और ओला, ऑटो रिक्शा के लिए किया जा सकता है।

मौसम: 33 ° C, 8 किमी / घंटा पर पवन NE, 72% आर्द्रता
जनसंख्या: 9.57 लाख

कोलकाता से गुवाहाटी तक —
1) सरायघाट एक्सप्रेस (12345) से, अगली सुबह गुवाहाटी से सुबह 9.35 बजे हावड़ा आ रही है।
२) ५.३५ बजे प्रस्थान, कामरूप एक्सप्रेस (१५ ९ ५ ९)
3) सुबह 6.35 बजे, शिल्दा स्टेशन से कंचनजंगा एक्सप्रेस (15657)।
४) रात ९ .४० पीएम गरीब रथ (१२५१40) सप्ताह में दो दिन (गुरुवार और रविवार) निकलते हैं।
५) कोलकाता डिब्रूगढ़ एक्सप्रेस (१२२०२ at) से प्रत्येक बुधवार रात ९ .४० बजे प्रस्थान करें।

মা কামাখ্যা 

মা কামাখ্যা  (Maa Kamakhya)
( Click here to watch video on Maa kamakhya)

অসমের রাজধানী গৌহাটী শহর  থেকে দশ কিলোমিটার দূরে নীলাচল পাহাড়ে সতীর একান্ন পিঠের অন্যতম পিঠ – মা কামাখ্যার মন্দির।অদূরেই ব্রহ্মপুত্র নদ বয়ে চলেছে।  গৌহাটী তথা অসমের প্রাচীন নাম ছিল প্রাগ্জ্যোতিষপুর । পরবর্তীকালে এই নাম বদলে হয়ে যায় কামরূপ।আজও তাই মানুষের মুখে মুখে “কামরূপ কামাখ্যা” নামটি প্রচলিত।

এটি নীলাচল পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এবং বেসরকারী যানবাহন পাশাপাশি সরকারী পরিবহন, বেসরকারী ট্যাক্সি, অ্যাপ ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা যেমন উবার ও ওলা, অটোরিকশা ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়। এই পাহাড়ের অন্যান্য অনেক মন্দিরও রয়েছে এবং এটি ভাল হবে কামাখ্যা মন্দিরে যাওয়ার সময় এগুলোরও  দর্শন করে নেওয়া।

কামাখ্যা মন্দিরটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলের মধ্যে একটি শ্রদ্ধেয় মন্দির এবং এটি একটি, অন্যান্য  শক্তি পীঠগুলির মধ্যে অন্যতম । এর ধর্মীয় তাত্পর্য অনেক বেশি। অন্য যে কোনও বিখ্যাত মন্দিরের মতো, কামাখ্য মন্দির খুব ভিড় হয় এবং দর্শন পেতে সময় লাগে। ভিআইপি পাস পাওয়া যায়, তবে কেবল সীমিত সংখ্যায়, একবার যদি এই পাসগুলি শেষ হয়ে যায়, কাউন্টারটি বন্ধ হয়ে যায়। তাই আপনি খুব ভোরে যান এবং ভিআইপি পাস পেতে সক্ষম হলে দর্শন দ্রুত হযে যাবে।অন্যথায়  আপনি  মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করবেন না, তবে আপনি বাইরে থেকে দ্রুত পূজা এবং নৈবেদ্য প্রদান করতে পারবেন।

আবহাওয়া: 33 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, বাতাস NE at 8 কিমি / ঘন্টা, 72% আর্দ্রতা

জনসংখ্যা: 9.57 লক্ষ

আশা করি নীচে বর্ণিত পদক্ষেপগুলি আপনাকে এই সুন্দর এবং শুভ মন্দিরে যেতে সাহায্য করতে পারে।

1. টপের  ডানদিক থেকে  একটি ট্যাক্সি নিন ।

২. উপরে উঠতে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠুন। মন্দির কমপ্লেক্সের ঠিক আগে পাদুকা রাখুন। তারা একটি টোকেন দেয়।

৩.লাল গালিচা অনুসরণ করুন এবং টিকিট কাউন্টার এ পৌঁছান। টিকেট কেনা হয়ে গেলে এগুলি যত্নে রাখুন ।

4. সারিবদ্ধ হয়ে লাইনে দাঁড়ান ।

৫. আপনি একটি ছোট ব্যাগ নিতে পারেন এবং  একটি ছোট বোতলে  জল বহন করুন।

৬. এরপরে আপনাকে অপেক্ষার স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

৭. এটি যদি ভিড়ের দিন হয় তবে শেষ হোল্ডিং এরিয়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ 3 ঘন্টা সময় লাগবে।

৮. সেখান থেকে অন্যান্য দর্শনীয় স্থান  দেখতে এবং প্রস্থান করতে আরও ১ ঘন্টা সময় লাগবে।

কলকাতা থেকে গৌহাটি আস্তে গেলে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়।

২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস

৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় ।

৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার )

৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫ )

Maa Kamakhya

Maa kamakhya Temple is 10 km away from the city of Guwahati, the capital of Assam. The ancient name of Guwahati i.e. Assam was Pragjyotispur. Later, the name was changed to Kamrupa.

Guwahati is the largest city in the Indian state of Assam and also the largest metropolis in the Northeast India. Guwahati is a sprawling city beside the Brahmaputra River in the northeast Indian state of Assam. It’s known for very nicely built and maintained temple, where lot of history were hidden, nice to explore and worship of Maa Kamakhya along with all rituals, nice road and view of nilachal hill.  Our country has so much beautiful diversity and that shows in our faith also. Jai maa Kamakhya Devi. It is located at a hilltop and can be accessed by private vehicles as well as public transportation, private taxis, app based taxi services like Uber & Ola, auto rickshaws, etc. The hill has many other temples as well and it would be a good idea to visit them while going to the Kamakhya Temple

Kamakhya temple is a revered temple among northeast and eastern part of India and also a, one of the revered Shakti Peeths. As with any other famous temple, Kamakhya temple is very crowded and it takes hours to get darshan. There are VIP passes available but only in limited number, once those passes get over, counter is closed. Darshan is quicker if you visit early in the morning and able to get a VIP pass. Otherwise you can also do mukhdarshan where you will not be entering the inside temple but you can do quick puja and offerings from outside.

Weather: 33 °C, Wind NE at 8 km/h, 72% Humidity

Population: 9.57 lakhs 

Hope below mentioned steps may help you to visit to this beautiful and auspicious temple.

1. Took a cab right to the top
2. Climb up the stairs all the way to the top. Keep footwear just before the temple complex. They give a token. 
3. Follow the red carpet right up to the ticket counter. Buy tickets. Don’t lose them.
4. Queue up
5. You can take a small bag, no rucksacks. Carry a small bottle of water. 
6. You are then taken to a waiting area. 
7. If it is a crowded day, it will take 3 hours max to reach the last holding area. 
8. From there it takes 1 more hour to visit the sanctum sanctorum and exit. 


From Kolkata to Guwahati—

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the next morning at 9.35 am from Howrah.

2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959)

3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Shialda Station.

4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday).

5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান , 26.08.2019

KAZIRANGA PARK

Click above to watch video and audio of Kaziranga National park


কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানটি ভারতের আসাম রাজ্যের গোলাঘাট এবং নগাও জেলার একটি জাতীয় উদ্যান । জাতীয় উদ্যানটি  ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য আসামের একটি সুরক্ষিত অঞ্চল। এটি এমন এক স্থান যেখানে হাতিদের সুরক্ষিত আবাস এবং বিশ্বের অবশিষ্ট এক-শিংযুক্ত গণ্ডার এর দুই-তৃতীয়াংশ বাস করে। ব্রহ্মপুত্র নদীর প্লাবন সমভূমি জুড়ে ছড়িয়ে পরে এবং  এর বন, জলাভূমি এবং তৃণভূমি — বাঘ, হাতি এবং বিশ্বের এক শিংযুক্ত গণ্ডারের বৃহত্তম জনসংখ্যার বাসস্থান। গঙ্গা নদীর ডলফিনগুলি পার্কের জলে সাঁতার কাটছে। এখানে অনেক দুর্লভ পরিযায়ী পাখি এবং কাজিরাঙ্গা গ্রামের কাছে ধূসর পেলিকান্স রোস্ট দর্শন করতে পারা যায়। কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানটি একটি পাখির স্বর্গ এবং তৃণভূমিগুলি একটি র‌্যাপার দেশ যা সাফারিতে দেখা যায় এবং  একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় । কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানের,জিপ সাফারি বা হাতি সাফারি অন্যতম অ্যাডভেঞ্চার ক্রিয়াকলাপ। এটি আশ্রয়কেন্দ্র হস্তী, জলাবদ্ধ হরিণ এবং বন্য জলের মহিষের বিশাল প্রজনন জনগোষ্ঠী। আসামের প্রাণকেন্দ্রে, এই পার্কটি পূর্ব ভারতের অন্যতম শেষ অঞ্চল যেখানে মানুষের উপস্থিতি দ্বারা অবারিত।

পার্ক এর সময়সূচী 

সকাল: সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এবং  সন্ধ্যা: ২:২০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত। পার্কটি ১ লা অক্টোবর থেকে ৩১ শে মে পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে।

এখানে  জিপসি জিপে  জীপ সাফারি এবং হাতির পিঠে হাতি সাফারি ও  করা হয়। জিপ প্রতি দাম ১৯৫০ থেকে শুরু হয়। প্রবেশ ফি: ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ১০০ টাকা; বিদেশী নাগরিকদের জন্য ৬৫০ টাকা। ভিজিটের জন্য ফি-  পুরো দিন: ২,০০০ টাকা। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা। বিদেশী নাগরিকের জন্য জনপ্রতি ফি এলিফ্যান্ট যাত্রার জন্য:৮৭৫ টাকা  ভারতীয় নাগরিকদের জন্য  এবং ১৯২৫ টাকা  বিদেশী নাগরিকদের জন্য । প্রতি ট্রিপ রোডের জন্য টোল:  সকল নাগরিকের জন্য ৩০০ টাকা ।

কি ভাবে কাজিরাঙা যাবেন

বিমান দ্বারা: গুয়াহাটি (২৪০ কিলোমিটার) , রোডের মাধ্যমে: গুয়াহাটি থেকে, জাতীয় হাইওয়ে ৩৭ এ রাস্তা দিয়ে কোহোরা যেতে পারে। বিমানে যদি আসেন তবে ৯৭ কি মি দূরের জোড়হাট বিমান বন্দরে নামতে হবে। আর জোড়হাট থেকে সড়ক পথে ৯৬ কি মি আস্তে হবে । যদি রেল পথে আসেন তাহলে মেন  লাইনে কাজিরাঙার ৭২ কিমি দূরে ফারকোটিং স্টেশনে নামতে হবে। সড়কপথে কাজিরাঙ্গা , গুয়াহাটি থেকে ২১৭ কিমি ,জোড়হাট থেকে ৯৬ কিমি,ফারকোটিং থেকে ৭২ কিমি দূরত্বে অবস্থিত।

কলকাতা থেকে গৌহাটি রেলপথে আস্তে গেলে জেনে রাখতে হবে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়।

২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস

৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় ।

৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার )

৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫ )

Kaziranga National Park

Kaziranga National Park is a national park in the Golaghat and Nagaon districts of the state of Assam, India. National Park is a protected area in the northeast Indian state of Assam. It is a place where protected habitat of elephants & two-thirds of the world’s remaining Great One-Horned Rhinoceros are residing. Spread across the floodplains of the Brahmaputra River, its forests, wetlands, and grasslands are home to tigers, elephants and the world’s largest population of Indian one-horned rhinoceroses. Ganges River dolphins swim in the park’s waters. It’s visited by many rare migratory birds, and gray pelicans roost near Kaziranga village. Kaziranga National Park is a birding paradise and the grasslands are a raptor country that can be seen on safari makes a remarkable experience. Jeep Safari or elephant safari in Kaziranga national park is one of the most adventure activities. Shelters huge breeding populations of elephants, swamp deer and wild water buffalo. In the heart of Assam, this park is one of the last areas in eastern India undisturbed by a human presence.

Park Timings

Morning: 07:30 am to 12:00 pm Evening: 02:00 pm to 05:00 pm the park remains open from 1st October until 31st May. Getting Around the Park: Game viewing is done in Gypsy jeeps along the reserve’s dirt roads and also on elephant back. Prices start from R 1,950 per jeep.

Entry Fees: Rs.100 for Indian Nationals Rs. 650 for Foreign Nationals Fee for Visiting.  Full Day: Rs. 200 for Indian Nationals Rs. 2,000 for Foreign Nationals Fee per Person For Elephant Ride: Rs. 875 for Indian Nationals Rs. 1,925 for Foreign Nationals Toll For Road Per Trip: Rs. 300 for all nationals Naturalist: Rs. 1,000.

By Air: Guwahati (240 km).By Road: From Guwahati, one can go by road to Kohora on the National Highway 37.By Air: Guwahati (240 km), By Road: From Guwahati, one may reach Kohora by road on National Highway 37 . If you want to come here by aero plane, you have to get to Jorhat airport and the road from Jorhat to Kohora will be 96 km. If you want to come here by train then you have to reach the Farquoting station which is 72 km away from Kaziranga on the main line. Kaziranga is located at a distance of 217 km from Guwahati, 96 km from Jorhat and 72 km from Farquoting.

It is important to know about the important train service from Howrah to Guwahati railway station.

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the  next morning at 9.35 am from Howrah.

2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959)

3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Shialda Station.

4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday).

5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

সুক্রেশ্বর মন্দির, গুয়াহাটি  (পর্যটকদের আগ্রহের জন্য প্রায় অজানা জায়গা) 22.08.2019

Sukreswar Temple

                                   সুক্রেশ্বর মন্দিরটি আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে ইটাখুরি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত।  জনশ্রুতি আছে যে, ঋষি  সুক্রার এই পাহাড়ে তাঁর আবাস ছিল এবং তিনি এই মন্দিরে তাঁর শিবের উপাসনা করতেন। কালিকা পুরাণ অনুযায়ী , হস্তিগিরি পাহাড় হিসাবে টিলাটিকে একটি হাতির শুঁড়ের মতো আকৃতির জন্য বিখ্যাত বা  চিহ্নিত হয়ে থাকে । ১৭৪৪ খ্রিস্টাব্দে আহোম শাসক প্রমত্ত সিংহের দ্বারা নির্মিত, সুক্রেশ্বর মন্দিরটি শক্তিশালী ব্রহ্মপুত্রের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। মূলত আঠারো শতকের পুরানো এই মন্দিরে ভারতের বৃহত্তম শিব লিঙ্গাম বা ফালিক প্রতীক রয়েছে বলে মনে করা হয়।

                                       এটি বিশ্বাস করা হয় যে এখানে  মৃত্যুর পরবর্তী কালীন  অনুষ্ঠান করা হলে মৃতরা শান্তি লাভ করে। মন্দিরের কমপ্লেক্স থেকে নদীর ধারে যাত্রা শুরু হয় । সুকেশ্বর ঘাটের সিঁড়িতে বসে কেউ নদীর উপর সূর্য অস্ত যাওয়ার দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, নৌকাগুলি নদীর ওপারে চলাচল করছে। হিন্দু কিংবদন্তি অনুসারে, কেউ যদি এই মন্দিরে স্বজনদের সম্মানে মৃত্যু অনুষ্ঠান ও আচার অনুষ্ঠান করে থাকেন তাহলে মৃত ব্যক্তি মোক্ষ বা পরিত্রাণ লাভ করে।

                                      সুকেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গণে একটি বিষ্ণু মন্দির আছে এবং বিভিন্ন বিগ্রহের মন্দিরও  আছে ,পূজা পরিচালনার জন্য অনেকগুলি কমপ্লেক্স এবং হল রয়েছে। মন্দিরটিতে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে স্থানীয় লোকেরা মনে করেন । ভক্তরা নিয়মিত মন্দিরে যান শিবলিঙ্গকে ভারতের ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ হিসাবে বিবেচনা করে প্রার্থনা করার জন্য। রাজা রাজেশ্বর সিংহ তাঁর সময়ে শিব ধর্মের প্রচার করেছিলেন এবং ১৭৫৯ সালে মন্দিরে আর্থিক সহায়তাও দিয়েছিলেন

কলকাতা থেকে গৌহাটি আস্তে গেলে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়।

২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস

৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় ।

৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার )

৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫ )

Sukreswar Temple, Guwahati  (Almost Unknown Place for Tourist Interest )

Sukreswar Temple is located on top of the Itakhuri hills at Guwahati in the state of Assam.  Legend has it that, Sage Sukra had his hermitage on this hillock and he used to worship his Lord Shiva in this temple. The Kalika Purana identifies the hillock as Hastigiri hills due to its shape like the hump of an elephant. Constructed by the Ahom ruler Pramatta Singha in 1744 AD, the Sukreswar temple is located on the southern bank of the mighty Brahmaputra. Originally dating back to the 18th century, the temple is believed to have the largest Shiva lingam or phallic emblem in India.

 It is believed that the dead gain peace if the post – death rituals are performed here. A flight of steps lead down from the temple complex to the river. Sitting on the steps of Sukreswar ghat one can enjoy the scenery of sun setting on the river, boats moving across the river. According to the Hindu legends, if one performs death rituals and rites in honor of their relatives at this temple than the dead person would attain moksha or salvation.

The Sukreswar temple premises also have a Vishnu temple and many other complexes and halls for conducting rituals and pujas. The temple also has one of the largest Shiva Lingas in India. Devotees regularly visit the temple to offer prayers to the Shivalinga which is considered to be the sixth Jyotirlinga in India. King Rajeswar Singha during his time promoted the cause of the Siva cult and also prompted financial help to the temple in the year 1759.

From Kolkata to Guwahati—

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the  next morning at 9.35 am from Howrah.

2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959)

3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Sealdah Station.

4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday).

5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

ময়ূর দ্বীপ বা উমানন্দ মন্দির (পর্যটকদের আগ্রহের জন্য প্রায় অজানা জায়গা) 20.08.2019

Click below Link to Watch Audio & Video on Peacock Island

উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসামের গুয়াহাটি শহর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদীর মাঝখানে সবচেয়ে ছোট নদী দ্বীপ ,ময়ূর আইল্যান্ড বা উমানন্দ  দ্বীপ। ব্রিটিশরা এর কাঠামোর জন্য দ্বীপটির নাম পিকক দ্বীপ রেখেছিল।

উমানন্দ মন্দির গৌহাটি থেকে একেবারে ব্রহ্মপুত্র নদীর মাঝখানে ময়ূর দ্বীপে অবস্থিত , ১৭ শতকের শেষের দিকের  শিব মন্দির। এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাসিন্দা রিভারাইন দ্বীপ হিসাবে পরিচিত। ব্রহ্মপুত্রের তীরে যে দেশীয় নৌকা পাওয়া যায় তারা দর্শনার্থীদের দ্বীপে নিয়ে যায়।

যে গুয়াহাটি যান, তিনি এই মন্দিরটি দেখতে কখনও ভুলে যাবেন না। ব্রাহ্মপুত্র নদীর মাঝখানে ময়ূর দ্বীপে উমানন্দ মন্দিরটি অবস্থিত। যেহেতু মন্দিরটি ব্রহ্মপুত্র নদীর কেন্দ্রে অবস্থিত, তাই কেবল ফেরি বা মোটর লঞ্চেই এটি অ্যাক্সেস করা যায়। শিবকে উত্সর্গীকৃত ভাস্কর্য এবং খোদাইয়ে সূর্য, গণেশ এবং দেবী নামে অন্যান্য দেবতাদের চিত্রিত করা হয়েছে। মন্দিরের দেয়ালগুলি বিস্ময়করভাবে খোদাই করা এবং ভাস্কর্যযুক্ত, যা অতীতের মানুষের কারুকার্যের প্রমাণ ।

উমানন্দ মন্দিরে পৌঁছতে নৌকায় করে নদী পার হতে হয়। ফেরি এবং স্টিমার দিয়ে এটি গুয়াহাটি এবং উত্তর গুয়াহাটি থেকে পৌঁছানো যায়। এই নৌকা পরিষেবাগুলি কাছারি ঘাট থেকে পাওয়া যায়। এছাড়াও একটি ফেরি পরিষেবা রয়েছে যা সকাল সকাল 7 টা থেকে সন্ধ্যা 5 টা পর্যন্ত পাওয়া যায়।

শহর গুয়াহাটি থেকে খুব দূরে  নয় তবে খুব কাছাকাছিও নয়, বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদীতে অবস্থিত।

কলকাতা থেকে গৌহাটি আস্তে গেলে —

 ১)হাওড়া থেকে ৩ টা  ৫০মিনিটে (১২৩৪৫)আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস ছেড়ে পরেরদিন সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে গৌহাটি পৌঁছায়।

২) বিকেল ৫ টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৯৫৯) কামরূপ এক্সপ্রেস

৩) শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল  ৬টা  ৩৫ মিনিটে ছাড়ে (১৫৬৫৭) কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর গৌহাটি পৌঁছায় ভোর ৪ টায় ।

৪) রাট ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে গরিব রথ (১২৫১৭) সপ্তাহে দু দিন ( বৃহস্পতিবার ও রবিবার )

৫) প্রতি বুধবার রাত ৯তা ৪০ মিনিটে ছাড়ে কলকাতা ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস (১২৫২৫ )

Peacock Island or Umananda Temple ( Almost Unknown Place for Tourist Interest )

Click below Link to Watch Audio & Video on Peacock Island

Peacock Island or Umananda Island is the smallest river island in the midst of river Brahmaputra flowing through the city of Guwahati in Assam, a state in northeast India. The British named the island as Peacock Island for its structure.

Umananda Temple is a late 17th century Shiva Temple located at Peacock island in middle of river Brahmaputra, just off Guwahati. It is known as smallest inhabited Riverine Island in the world. Country boats that are available on the bank of Brahmaputra take the visitors to the island.

one who visit Guwahati, will never forget to visit this temple. Umananda Temple is situated on Peacock Island in the middle of Brahmaputra River. Since the temple is at the center of River Brahmaputra, it can be accessed only on ferries or motor launches. Dedicated to Lord Shiva, the sculptures and engravings depict other gods namely Surya, Ganesh and Devi. The walls of the temple are wonderfully engraved and sculpted, which stand proof of the artisanship of the people of the past.

To reach the umananda temple, one has to cross the river in a boat. It can be reach from Guwahati and North Guwahati by ferries and steamers. These boat services are available from the Kachari ghat. There is also a ferry service that is available from 7 am in the morning to 5 pm in the evening.

Not very far from Guwahati is city but not too close either, perched on the gigantic Brahmaputra River.

From Kolkata to Guwahati—

1) By Saraighat Express (12345), arriving at Guwahati the in the  next morning at 9.35 am from Howrah.

2) Departure at 5.35 pm, Kamrup Express (15959)

3) Departure at 6.35 a.m., Kanchenjunga Express (15657) from Sealdah Station.

4) At night 9.40p.m leave Garib Rath (12517) two days a week (Thursday and Sunday).

5) Departure from Kolkata Dibrugarh Express (122027) every Wednesday night at 9.40p.m.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.